শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন
সকালের বার্তাঃ-
টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইল জেলার ভুঞাপুর থানায় দায়ের করা গোপনে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার মামলার প্রধান আসামি মোঃ আল আমিন (৩২) কে গ্রেফতার করেছে র্যাব। র্যাব-১৪ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের উদ্যোগে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। র্যাব সূত্রে জানা গেছে,মামলার এজাহার বিবরণ অনুযায়ী ধৃত আসামি কৌশলে বাদীর স্ত্রীর গোসলের সময়ের আপত্তিকর দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই ভিডিও ছড়িয়ে দিলে বিষয়টি বাদীর নজরে আসে। এতে বাদী ও তার পরিবার সামাজিকভাবে চরমভাবে হেয় প্রতিপন্ন হন বলে অভিযোগ করা হয়। বাদীর অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যেই আসামি গোপনে ভিডিও ধারণ করে তা অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়। ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবার আইনগত সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রার্থনা করে টাঙ্গাইল জেলার ভুঞাপুর থানায় ২০১২ -সালের পর্ণোগ্রাফি আইনের ৮ (১),৮ (২) ও ৮ (৩) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। ভুঞাপুর থানায় দায়ের হওয়া মামলাটির নম্বর-০৫ এবং মামলার তারিখ ২১ জুন-২০২৫ খ্রিঃ। মামলা রুজুর পর থেকেই র্যাব-১৪ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে ছায়াতদন্ত শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১৪,সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল এবং র্যাব-১০ সদর কোম্পানি কেরানীগঞ্জ ঢাকা-এর একটি যৌথ আভিযানিক দল আসামির বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে গত ৪ জানুয়ারি-২০২৬ খ্রিঃ আনুমানিক দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন নয়া বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মোঃ আল-আমিন (৩২) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
র্যাব জানায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্টরা জানান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর ও গোপনীয় ভিডিও ধারণ ও প্রচারের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
Leave a Reply